মিরাজের সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ

খেলা

ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে একাই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সতীর্থদের ব্যর্থতার মাঝেও দুর্দান্ত অপরাজিত সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন এই অলরাউন্ডার।

ডারউইনের মারারা ওভালে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয় ২৬৩ রানে। সাত নম্বরে নেমে ১৪১ বলে ১০৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন মিরাজ। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা।

শুরুর দিকেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান শূন্য রানে ফেরেন। এরপর সাদমান ইসলাম ৩১, মুমিনুল হক ১৬ এবং মুশফিকুর রহিমও রানের খাতা না খুলেই বিদায় নেন। মাত্র ৬১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৭ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। অমিত হাসানও ১৫ রান করে আউট হলে ১১০ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর শুরু হয় মিরাজের একার লড়াই। সৌম্য সরকারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ার পর তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও শেষ ব্যাটার খালেদ আহমেদের ছোট ছোট অবদানকে কাজে লাগিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তিনি। শেষ উইকেটে খালেদের সঙ্গে ৬৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলের স্কোর ২৬৩ পর্যন্ত নিয়ে যান।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন অফ স্পিনার কোরি রকিচ্চলি। তিনি ৮৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধস নামান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট হারায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। হাসান মাহমুদ তুলে নেন স্যাম কনস্টাসের উইকেট, আর তাসকিন আহমেদ ফেরান ক্যাম্পবেল কেলাওয়েকে। তবে এরপর অধিনায়ক কার্টিস প্যাটারসন ও জশ ফিলিপি আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি।

প্রথম দিনের খেলা শেষে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫২ রান।

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে মিরাজের এই সেঞ্চুরি বাংলাদেশের জন্য বড় ইতিবাচক দিক হলেও, টপ অর্ডারের ধারাবাহিক ব্যর্থতা এখনও দলের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *