স্পোর্টস ডেস্ক |
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এখন টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মুখে। টানা চারটি সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ে আত্মবিশ্বাসে ভাসলেও এবার প্রতিপক্ষ সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ—যাদের বিপক্ষে জয় পাওয়া সহজ কাজ নয়।
ওয়ানডে সিরিজে জয় পাওয়ার পর এবার ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামবে টাইগাররা। চট্টগ্রামের উইকেট ও প্রতিপক্ষের আগ্রাসী ব্যাটিং লাইনআপ এই সিরিজকে করেছে আরও চ্যালেঞ্জিং।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম মনে করেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় পাওয়া সহজ হবে না। তিনি বলেন,
“ওয়ানডেতে জয় পাওয়া মানেই টি-টোয়েন্টিতেও জয় নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা সারা বছর বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলে। অভিজ্ঞতা ও পাওয়ার হিটিংয়ে তারা অনেক এগিয়ে।”
তিনি আরও বলেন, “এই সিরিজে ব্যাটিং হবে মূল চ্যালেঞ্জ। উইকেট ব্যাটিং-বান্ধব হলেও ক্যারিবিয়ান বোলারদের বিপক্ষে টিকে থাকতে হবে ঠাণ্ডা মাথায়।”
মিরপুরে স্পিন সহায়ক উইকেটে ওয়ানডে খেলার পর এবার খেলা চট্টগ্রামের উইকেটে, যা ব্যাটিং সহায়ক হিসেবে পরিচিত।
ক্যারিবিয়ান কোচ ড্যারেন স্যামি বলেছেন, “এই উইকেটে ২০০-২২০ রান সম্ভব। ব্যাটসম্যানদের জন্য এটি চমৎকার কন্ডিশন।”
ফাহিমও একমত, “চট্টগ্রামের উইকেটে সব সময় রান হয়। এখানে উভয় দলের ব্যাটারদেরই স্কোর করার সুযোগ থাকবে।”
ওয়ানডে সিরিজে স্পিনারদের সাফল্যের পর টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডেও তিনজন বাঁহাতি স্পিনার রেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
আকিল হোসেন, গুডাকেশ মোটি ও খ্যারি পিয়ের—এই তিনজনই আছেন দলে।
চোটে ছিটকে যাওয়া পেসার শামার জোসেফের জায়গায় কোনো নতুন পেসার না নিয়ে, বরং পিয়েরকে রেখেছে দলটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচিং স্টাফের বিশ্বাস, চট্টগ্রামের উইকেট মিরপুরের মতো স্পিন-সহায়ক না হলেও স্পিনাররা এখানে ভূমিকা রাখবে।
সাম্প্রতিক সিরিজে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা ব্যাটিং। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পরও ওপেনার সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম ও তাওহিদ হৃদয় ছাড়া কেউই নিয়মিত রান পাচ্ছেন না।
এই অবস্থায় টি-টোয়েন্টিতে ভালো শুরু ও শেষ দুইটাই হবে জয়ের চাবিকাঠি।
