তারেক রহমান: ক্ষমতায় গেলে শিক্ষায় হবে সর্বাধিক বিনিয়োগ

রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক | 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের বাজেট কাঠামোয় শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আধুনিক শিক্ষা, ভাষা দক্ষতা ও খেলাধুলা শিক্ষা ব্যবস্থার বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশন আয়োজিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার দিকে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকেও এই প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। আধুনিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে তুলতে আমরা একটি নতুন শিক্ষা কাঠামো তৈরি করব।”

তিনি আরও বলেন, “মেধা শুধু জন্মগত নয়, এটি নিয়মিত অনুশীলন, উৎসাহ এবং অধ্যবসায়ের মাধ্যমে বিকশিত হয়। শিক্ষার্থীদের উচিত প্রতিদিন শেখার অভ্যাস তৈরি করা এবং বাস্তব জীবনের সঙ্গে শিক্ষার যোগসূত্র স্থাপন করা।”

বিএনপির এই নেতা জানান, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতির দেশ—যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আলাদা প্রণোদনা থাকবে। তিনি বলেন, “শিক্ষা খাতে বিনিয়োগই হবে জাতি গঠনের সর্বোত্তম উপায়।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, “তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন। সেই রূপরেখায় নারী ও শিশুর অধিকার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের দিকনির্দেশনা রয়েছে।”

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, “তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরে নেতৃত্ব দেবেন একটি নতুন ও আধুনিক বাংলাদেশের।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম
উপস্থিত ছিলেন খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আল আশরাফ মামুন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানস্থল পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে। জেলার ৮৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী চারটি গ্রুপে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। শীর্ষ ৪০ জনকে মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার দেওয়া হয়, পাশাপাশি প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে দেওয়া হয় শান্তনা পুরস্কার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *