বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগামী চার বছরের দায়িত্ব আবারও পেলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সোমবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।
এদিন অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে মোট ২৫ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ হোসেন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
সভাপতির মতোই দু’টি সহ-সভাপতির পদেও কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। বরিশাল বিভাগ থেকে শাখাওয়াত হোসেন ও ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ফারুক আহমেদ সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর বুলবুল বলেন,
“আমাদের লক্ষ্য ক্রিকেটকে আরও তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আগামী চার বছর আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করব, যাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট আরও এগিয়ে যেতে পারে।”
এর আগে পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে ঢাকা বিভাগ থেকে বুলবুল ও নাজমুল আবেদিন ফাহিম বিজয়ী হন। রাজশাহী বিভাগে মুখলেছুর রহমান, রংপুরে হাসানুজ্জামান, চট্টগ্রামে আহসান ইকবাল চৌধুরী ও আসিফ আকবর, খুলনায় আব্দুর রাজ্জাক ও জলুফিকার আলি খান, সিলেটে রাহাত শামস এবং বরিশালে শাখাওয়াত হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ ৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এছাড়া ইফতেখার রহমান মিঠু (৩৪ ভোট) ও মনজুর আলম (৩৯ ভোট) নির্বাচিত হন। আরও নয়জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন— ইশতিয়াক সাদেক, আদনান রহমান দিপন, ফয়জুর রহমান, আবুল বাশার, আমজাদ হোসেন, শানিয়ান তানিম, মোকসেদুল কামাল, এম নাজমুল ইসলাম ও মেহরাব আল চৌধুরী।
ক্যাটাগরি-৩ থেকে সাবেক জাতীয় অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট ৩৫–৭ ভোটে জয়ী হয়েছেন, পরাজিত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর দেবব্রত পাল।
এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) পরিচালনা পর্ষদ পূর্ণ করতে ইশফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিককে পরিচালক হিসেবে মনোনীত করেছে।
এবারের নির্বাচনে তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ১১৫ জন ভোট দেন, যা প্রায় ৭৪ শতাংশ। ই-ভোট ব্যবস্থার সুবিধাও ছিল; ক্যাটাগরি-১ এ ১৯ জন, ক্যাটাগরি-২ এ ৩৫ জন এবং ক্যাটাগরি-৩ এ ৪ জন কাউন্সিলর ই-ভোট দেন।
